/

জমির অনলাইন খারিজ চেক করার সহজ নিয়ম ২০২৫

অনলাইনে জমি খারিজের আবেদন করার পর জমি খারিজ হয়েছে কিনা জানতে চাচ্ছেন? তাহলে জমি খারিজ চেক করার মাধ্যমে আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিন।

কোন জমি খারিজ করার জন্য অনলাইনে আবেদন করলে, আবেদনটি অনুমোদন করতে সর্বমোট 28 দিন সময় নেওয়া হয়। এর মধ্যে যেকোনো সময় আবেদনটি এপ্রুভ করা হয়ে থাকে। তাই আবেদনটি এপ্রুভ করা হয়েছে কিনা চেক করতে অনলাইনে খারিজ চেক করে নিতে পারেন।

আপনি নিজে নিজেই অনলাইনে জমি খারিজ চেক করতে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি দেখে নিন।

অনলাইনে জমি খারিজ চেক পদ্ধতি

অনলাইনে জমি খারিজ চেক করতে mutation.land.gov.bd লিংকে ভিজিট করুন। এবার আপনার বিভাগ সিলেক্ট করে, আবেদনের আই.ডি ও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর লিখুন। শেষে ক্যাপচা পূরণ করে খুঁজুন বাটনে ক্লিক করলেই আপনার জমি খারিজের/ নামজারির আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানতে পারবেন।

উপরোক্ত পদ্ধতিতে খুব সহজেই জেনে নিতে পারবেন আপনার জমির খারিজার বা নামজারির আবেদন এপ্রুভ করা হয়েছে কিনা। জমি খারিজ করা হয়ে থাকলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে DCR ফি জমা দিয়ে নামজারি খতিয়ান তৈরি করে নিতে পারবেন। 

আর যদি আপনার জমির খারিজের আবেদন এখনো প্রসেসিং অবস্থায় থাকে তাহলে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করে পুনরায় অনলাইনে যাচাই করতে পারবেন। যেহেতু জমি খারিজের আবেদন অ্যাপ্রুভের আগে ২৮ দিন পর্যন্ত সময় নেওয়া হয়, তাই কিছু সময় অপেক্ষা করে দেখতে পারেন। 

উপরোক্ত ধাপগুলো আরো সহজ ভাষায় বলতে গেলে, জমি খারিজ চেক করার জন্য-

  • প্রথমে mutation.land.gov.bd লিংকে ভিজিট করবেন 
  • আপনার জমির বিভাগ সিলেক্ট করবেন 
  • আবেদন আইডি নম্বরটি ২য় ঘরে লিখবেন 
  • ৩য় ঘরে আপনার NID Number লিখবেন
  • সর্বশেষ ঘরে, ক্যাপচা কোড পূরণ করে ‘খুঁজুন’ লেখাতে ক্লিক করবেন 

ব্যাস, আপনার জমির নামজারি আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ

জমি খারিজ হলে কিভাবে বুঝবো

অনলাইনে জমি খারিজ করার আবেদন করার পর mutation.land.gov.bd লিংকে ভিজিট করে জমির অবস্থানের বিভাগ, আবেদন আইডি ও ১টি এনআইডি নাম্বার দিয়ে ক্যাপচা পূরণ করে সার্চ করলেই জমি খারিজ হয়েছে কিনা বুঝতে পারবেন। 

অনলাইন খারিজ চেক করার পদ্ধতি - mutation.land.gov.bd

জমি খারিজ হয়ে গেলে অনলাইনে জমি খারিজ চেক করার পর DCR ফি জমা দিতে বলবে। সেখানে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১১০০ টাকা DCR ফি জমা দিয়ে নামদারি খতিয়ান তৈরি করে নিতে পারবেন। পরবর্তীতে নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধান করে জেনে নিতে পারবেন আপনার জমির মালিকানা তথ্য আপডেট করা হয়েছে কিনা।

তখন জমি নামজারি করার সকল কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর dlrms.land.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে নামজারি খতিয়ানের তথ্য যাচাই করে জমি খারিজ করার পর যেই নতুন মালিকের নাম দেওয়া হয়েছে, সেই ব্যবহারকারী মালিকের নাম দেখতে পাবেন। আশাকরি উপরোক্তভাবে নিজে নিজেই আপনার জমি খারিজের আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা চেক করতে পারবেন।

FAQs

অনলাইনে জমি খারিজ হয়েছে কিনা চেক করা যাবে? 

হ্যাঁ। ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন mutation.gov.bd ওয়েবসাইটে ভিজিট করে জমির বিভাগ, খারিজের আবেদনের আইডি নং ও NID Number দিয়ে সার্চ করলেই জমি খারিজ হয়েছে কিনা চেক করতে পারবেন।

জমি খারিজ কেন করতে হয়? 

উত্তরাধিকার সূত্রে কোন জমির মালিক হলে কিংবা কারো কাছ থেকে জমি ক্রয় করলে, জমির মালিকানার তথ্য আপডেট করার জন্য জমি খারিজ করে নিতে হয়। এর মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সার্ভারে, পুরাতন ভোগ-দখলকারী ব্যক্তির নামের পরিবর্তে নতুন ভোগ-দখলকারী ব্যক্তির নাম সাবমিট করা হয়। জমি সংক্রান্ত নানান জটিলতা এড়াতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

জমি খারিজ করতে কত টাকা লাগে? 

অনলাইনে জমি খারিজ করার আবেদন সাবমিটের সময় সর্বমোট ৭০ টাকা জমা দিতে হয়। এর মধ্যে ২০ টাকা আবেদন ফি এবং ৫০ টাকা নোটিশ জারি বাবদ জমা দিতে হয়। পরবর্তী জমি খারিজ হলে নামজারি করতে আরো ১,১০০ টাকা ফি জমা দিতে হয়। এসকল ফি বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় ইত্যাদি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *